অফবিটআন্তর্জাতিকনিউজ

সূর্যের মধ্যে বিশালাকার গর্তের সৃষ্টি, ধ্বংসের পথে গোটা বিশ্ব ব্রহ্মান্ড! সাবধান করল বিজ্ঞানীরা

এই পৃথিবীর বাইরে অনেক কিছুই আছে যা আমাদের কাছে অজানা। এই অজানা জিনিস জানার জন্য আমাদের চিরকাল কৌতুহল। পৃথিবীর বাইরে অন্যান্য গ্রহ এবং উপগ্রহ, নক্ষত্র নিয়ে আমরা চিরকাল কৌতুহলী হয়ে থাকি। অন্যান্য গ্রহ নক্ষত্রের মধ্যে সৌরজগতের সব থেকে বিস্ময়কর এবং কাছের নক্ষত্র হলে সূর্য। সূর্যের বেশিরভাগ জিনিসই আমাদের কাছে অজানা।

বিশ্বের বৃহত্তম সোলার টেলিস্কোপে ধরা পড়ল সৌর কলঙ্ক এর প্রথম ছবি। মহাজাগতিক এই অবশ্য রোমাঞ্চকর ছবি আমাদেরকে চমকে দিয়েছে। সৌর কলঙ্ক মানে আমরা জানি সূর্যের মধ্যে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন বিস্ফোরণ। এছাড়া আমাদের কাছে আর কিছুই তথ্য নেই। সম্প্রতি যে ছবি ধরা পরল তাতে কি রয়েছে? কেমন সে জগৎ? নানা প্রশ্ন নিয়ে সকলেই হাজির বিজ্ঞান মহলের কাছে। সবকিছুর উত্তর না দিতে পারলেও কিছু কিছু উত্তর দিতে পেরেছে বিজ্ঞান মহল।

বিজ্ঞানীদের মত অনুযায়ী, সবাই থেকে দেখা যাচ্ছে এই সূর্য কলঙ্ক। যা দেখে রীতিমত ভয় পেয়ে গেছেন বিজ্ঞানীরা। সৌর কলঙ্কে মারাত্মক প্রভাব পড়তে পারে পৃথিবীতে। একটি সৌর কলঙ্ক পৃথিবীতে কি কি ঘটাতে পারে তা আমাদের কল্পনার অতীত।গতবারের থেকে ভালো রেজুলেশনের ক্যামেরাবন্দি করা গেছে সৌর কলঙ্ক কে।

যত বড় হবে সৌর কলঙ্ক, ততোই গোটা বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ড কে গিলে খাবে সে। সম্প্রতি যে ছবি তোলা হয়েছে তাতে ধরা পড়েছে সৌর কলঙ্কে সব থেকে কালো অংশ। এই সানস্পট সূর্যের একটি অন্ধকার অঞ্চল। যা অন্যান্য অঞ্চলে থেকে অনেকটাই শীতল। আয়রন যুক্ত গ্যাস ভর্তি এই সৌর কলঙ্ক গুলি শক্তিশালী চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। আমাদের সূর্যের গ্যাস গুলি ক্রমাগত চলমান, এই চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের কারণে তা নিয়ম ভঙ্গ করতে বাধ্য হয়।

এই সৌর কলঙ্ক অথবা চুম্বকীয় ক্ষেত্র যদি বৃদ্ধি পায়, তখন সূর্য থেকে বেরিয়ে আসে সৌর বায়ু, সৌর ঝড় অথবা সৌর ঝলক। এগুলো নিঃসন্দেহে খুবই বিপদজনক। এ তাপমাত্রা হতে পারে ৭৫০০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

সৌর কলঙ্কে প্রভাব নিয়ে আসছে আরো একটি নতুন সমস্যা। আক্ষরিক অর্থে এই সমস্যাটি তৈরি হবে হঠাৎ করে তা নয়। তবে বিজ্ঞান মহলের উৎকণ্ঠা বাড়ছে তা বলাই বাহুল্য। তারা মনে করছেন যে সৌর কলঙ্ক পৃথিবীর পক্ষে একেবারেই সঠিক নয়। কেন ভয় পাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা? আসলে সোলার ফ্লেয়ার পৃথিবীতে উপস্থিত মানব সভ্যতা, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং মহাকাশের আবহাওয়ার প্রতি খুবই বিপদজনক। এরা হঠাৎই সবকিছু তছনছ করে দিতে পারে।

এর তেজ বৃদ্ধি পাওয়া কখনোই ভালো খবর হতে পারে না। সৌর চক্রের উপর নির্ভর করে সৌর কলঙ্কে হ্রাস বৃদ্ধি নির্ভর করে। সৌর চক্রের মধ্যেই দেখা যায় সৌর কলঙ্ক। বিজ্ঞানীদের মতে, সৌর কলঙ্ক বৃদ্ধির সাথে সাথে বেড়ে যাবে সৌর চক্রের শক্তি। সৌর কলঙ্ক বাড়লে সমস্ত কৃত্রিম উপগ্রহ গুলি নষ্ট হয়ে যাবে। টেলিযোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে যাবে। বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হবে। আকাশের মধ্যে বিমান আক্রান্ত হয়ে যেতে পারে। এমনকি মেরুজ্যোতির বদল ঘটে যেতে পারে। হেরফের হবে পৃথিবীর তাপমাত্রা র।

Back to top button