নিউজঅর্থনীতি

এই বিরল কয়েনটির দাম ১৩৮ কোটি টাকা! রইলো বিস্তারিত

আমেরিকায় একটি ছোট্ট সোনার কয়েনের দাম উঠলো ১৩৮ কোটি টাকা। অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ ঠিক এটাই হয়েছে। ২০ ডলারের একটি ছোট্ট কয়েন, ভারতীয় মুদ্রায় যার দাম দাঁড়িয়েছে ১৩৮ কোটি টাকা। টাকার হিসেবে মাত্র ১৪০০ টাকা হলেও নিলামে এই কয়েনটিরই এত দাম উঠেছে।

গত মঙ্গলবার নিউইয়র্কে এই কয়েনটির নিলাম হয়, সেখানেই এই দাম উঠে কয়েনটির। প্রসঙ্গত, ২০০২ সালেও এই কয়েনটি নিলামে উঠেছিল। তখন এর দাম উঠেছিল ৭.৬ মিলিয়ান ডলার, ভারতীয় মুদ্রায় যা ৫৫ কোটি টাকা৷ প্রায় ২০ বছর পর এই একই কয়েনের দাম দাঁড়িয়েছে ১৩৮ কোটি টাকায়। কিন্তু কি আছে এই কয়েনটিতে, যার জন্য এমন আকাশ ছোঁয়া দাম উঠলো এটির?

আসলে কয়েনটি খুবই বিরল একটি কয়েন। আমেরিকার ইতিহাস জড়িয়ে আছে কয়েনটির সঙ্গে। ১৯৩৩ সালে আমেরিকায় ডবল ঈগল কয়েন ছিল একমাত্র পয়সা যা সমগ্র দেশে চলার কথা ছিল। এই বিশেষ কয়েনটিই সমগ্র দেশে চালু থাকবে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কিন্তু আমেরিকার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের নেতৃত্বে শেষ পর্যন্ত তা চালু হয়নি। সমস্ত সোনার পয়সাই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। শুধুমাত্র দুটি সোনার কয়েন পাঠানো হয়েছিল স্মিথসোনিয়ান ইনস্টিটিউটে। তারই মধ্যে একটি এই কয়েনটি। অর্থাৎ খুবই দুষ্প্রাপ্য একটি কয়েন এটি বলা চলে।

এই কয়েনটির একদিকে লেডি লিবার্টির ছবি রয়েছে, অন্যদিকে রয়েছে ঈগল পাখির ছবি। বিশ্ববিখ্যাত নিলাম সংস্থা Sotheby এর মতে ১৯৩৩ সালের এই ডবল ঈগল সোনার কয়েন ছিল শেষ মার্কিন কয়েন যা সমগ্র দেশে চলার জন্য প্রস্তুত ছিল। ফলে এটির মূল্য অনেকটাই বেশি। শুধু আমেরিকাতেই নয়, সারা বিশ্বেই এই কয়েনের চাহিদা আকাশছোঁয়া।

Related Articles

Back to top button