নিউজবিনোদন

শ্বাশুড়ির সাথেই হানিমুনে গেছিলেন জামাই! মধুচন্দ্রিমার মধুর স্মৃতিতে ভাসলেন ‘ডিঙ্কা’

কথাতেই আছে বয়স সবে মাত্র একটা সংখ্যা মাত্র। আর সেটা সম্পর্কে হলে তারা তো কোন কথাই নেই। এর প্রকৃত উদাহরণ হিসাবে বলা যেতে পারে বাংলা থিয়েটার জগতের দুই নক্ষত্র সোহিনী সেনগুপ্ত (Sohini Sengupta) এবং সপ্তর্ষি মৌলিকের কথা। বাংলা ইন্ডাস্ট্রির ‘হ্যাপি কাপল’ হলেন এই দুজন। সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজেদের হানিমুনের ব্যাপারে একটি মজার ঘটনা অনুরাগী মহলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেতা সপ্তর্শি মৌলিক।

শ্বাশুড়ির সাথেই হানিমুনে গেছিলেন জামাই! মধুচন্দ্রিমার মধুর স্মৃতিতে ভাসলেন 'ডিঙ্কা'
ছবি: সপ্তর্ষি মৌলিক ও সোহিনী সেনগুপ্ত

অভিনেতা নিজের মুখেই জানিয়েছেন, একবার পুজোর ছুটি কাটাতে হানিমুনের জন্য রওনা দিয়েছিলেন। এমনিতে বিয়ের পর প্রথম পুজো সব দম্পতিদের কাছে একটু বেশি স্পেশাল হয়েই থাকে। তাই সপ্তর্ষি জানিয়েছেন, বিয়ের প্রথম পুজোতে কাটানো হানিমুনের দিনগুলি তাঁর জীবনের অন্যতম স্পেশাল স্মৃতি হয়ে রয়েছে। শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে থাকতে একান্তে পাড়ি দিয়েছিলেন দার্জিলিঙে। সব থেকে মজার ব্যাপার হল তাঁদের হানিমুনে তাঁদের সঙ্গে সঙ্গি হয়েছিলেন শাশুড়ি স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত (Swatilekha Sengupta)। তাতে অবশ্য বিন্দুমাত্র আপত্তি ছিল না নবদম্পতি সোহিনী সপ্তর্ষির।

শ্বাশুড়ির সাথেই হানিমুনে গেছিলেন জামাই! মধুচন্দ্রিমার মধুর স্মৃতিতে ভাসলেন 'ডিঙ্কা'
ছবি: সপ্তর্ষি মৌলিক, সোহিনী সেনগুপ্ত ও স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত

অভিনেতা সপ্তর্শি মৌলিক এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘উনি তো আমার ম্যাম। শাশুড়ি পরে। আমরা বেড়াতে যাব শুনে ম্যাম বললেন, ‘অনেক দিন বেড়াতে যাইনি, আমায় নিয়ে যাবি?’ এত মিষ্টি একটা স্মৃতি।’ প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই অভিনেত্রী সোহিনী সেনগুপ্ত নিজের মাকে হারিয়েছেন। তাই এই বছরের পুজটা তার জীবনে ফ্যাকাশে কাটবে। নিজের স্ত্রীকে হারিয়ে রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তও একাকীত্ব-এ নিমজ্জিত হয়েছেন। মন খারাপের থেকে ছুটি নিতে তারা এ বছর পুজোয় কলকাতা থেকে একটু দূরে থাকতেই চাইছেন। ছুটি কাটানোর জায়গা হিসেবে বেছে নিয়েছেন সুদূর মুসৌরিকে।

শ্বাশুড়ির সাথেই হানিমুনে গেছিলেন জামাই! মধুচন্দ্রিমার মধুর স্মৃতিতে ভাসলেন 'ডিঙ্কা'
ছবি: সপ্তর্ষি মৌলিক ও সোহিনী সেনগুপ্ত

আজ থেকে কম করে ৮ বছর আগে ২০১৩ সালে নাচনি নাটক করতে গিয়ে আলাপ হয়েছিল সোহিনী-সপ্তর্ষির। প্রথম দেখাতেই সোহিনীর প্রেমে হাবুডুবু খেয়েছিলেন অভিনেতা। মাত্র তিন মাস প্রেম করার পরেই তড়িঘড়ি রেজিস্ট্রি ম্যারেজ সেরে ফেলেছিলেন। একের পর এক নিন্দুকের বাঁকা মন্তব্য এড়িয়ে দেখতে দেখতে একে অপরের সঙ্গে কাটিয়ে ফেলেছেন প্রায় এক দশকের কাছাকাছি সময়। আর মাত্র দু বছর পরেই তাদের সম্পর্ক পার করবে এক দশক।

Related Articles

Back to top button