লাইফ স্টাইল

ভাতের সঙ্গে খাওয়ার জন্য বানিয়ে ফেলুন মটন রেজালা, রইলো রেসিপি

মটন খেতে ভালো লাগেনা এরকম বাঙালি হয়তো আতস কাঁচ দিয়ে খুঁজলেও পাওয়া যাবে না। রবিবার মানেই প্রত্যেক খাদ্য রসিক বাঙালি বাড়িতে মাংসের আইটেম তো থাকবেই। সে মটন হোক কিংবা চিকেন। রুটি কিংবা পরোটার সাথে এবারে ট্রাই করে ফেলা যাক মটনের নতুন আইটেম। বাড়িতে বন্ধু-বান্ধব কিংবা আত্মীয়-স্বজন এলে মটন রান্না হলে সাধারণত মটন কারি কিংবা মটন কষার মত রেসিপি হামেশাই হয়ে থাকে। তবে সেই স্বাদ পাল্টে ফেলে এবার বানানো যাক মটন রেজালা। প্রথমেই দেখে নেওয়া যাক মটন রেজালা বানানোর জন্য কি কি উপকরণ প্রয়োজনীয়।

উপকরণ:
১. মটন- ৫০০ গ্রাম
২. আদা-রসুন বাটা- ২ টেবিল চামচ
৩. পেঁয়াজ কুচি- ২টি
৪. টকদই- ১/২ কাপ
৫. কাজু কিসমিস ও পোস্তবাটা- ১/২ কাপ
৬. শাহি জিরা- ১ চা চামচ
৭. দারচিনি- ১ টুকরো
৮. লবঙ্গ- ২টি
৯. ছোট এলাচ- ২টি
১০. লাল লঙ্কার গুঁড়ো- ১ চা চামচ
১১. গরম মশলা গুঁড়ো- ১ চা চামচ
১২. গোটা গোলমরিচ- ১/৪ চা চামচ
১৩. শুকনো লঙ্কা- ১টি
১৪. নুন ও চিনি- স্বাদ অনুযায়ী
১৫. তেল- প্রয়োজনমতো

এবারে দেখে নেওয়া যাক কি কি প্রণালী অবলম্বনে তৈরি করা হয় মটন রেজালা:
১. বাজার থেকে কিনে আনা মাংসগুলোকে ভালো করে ধুয়ে নিয়ে এবং আদা-রসুনবাটা মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। প্রায় এক থেকে দুই ঘন্টা মেরিনেশন এর পর তাতে পরিমাণমতো জল মিশিয়ে চার-পাঁচটি সিটির দিয়ে ভাল করে সিদ্ধ করে নিতে হবে।

২. এরপর করাইয়ের মধ্যে পরিমান মত তেল গরম করে তাতে গোটা গরম মসলা, গোলমরিচ, শুকনো লঙ্কা, জিরে, তেজপাতা ফোড়ন দিতে হবে।

৩. তারপর সেই ফোড়নে দিতে হবে পেঁয়াজ কুচি। পেঁয়াজ কুচি হালকা সোনালী রঙের হয়ে গেলে অর্ধেক সিদ্ধ করে রাখা মটন গুলিকে সেই তেলে ছেড়ে দিতে হবে। তবে কোনভাবেই জল দেয়া যাবে না। ভালো করে পুরোটা কষিয়ে নিতে হবে। পুরোটা কষানো হয়ে গেলে মাংস থেকে তেল বের হতে শুরু করলে হালকা কিছুটা জল মিশিয়ে ঢাকা দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষিয়ে নিতে হবে।

৪. তারপর একটা বাটিতে ভালো করে টক দই ফেটিয়ে নিয়ে তাতে নুন এবং লাল লঙ্কার গুঁড়ো মিশিয়ে নিতে হবে। এবার এই মিশ্রণটি মাংসের মধ্যে দিয়ে দিতে। কোন শুকনো মসলা সরাসরি তেলে না দিয়ে জল মিশিয়ে সেটা রান্নার সঙ্গে মেশানো হলে মসলা পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ফলে খাবারটি বেশি সুস্বাদু হয়।

৫. এই মিশ্রন মাংসের মধ্যে দিয়ে পুরোপুরি সিদ্ধ হয়ে গেলে বাদাম কিশমিশ এবং পোস্ত বাটা মিশিয়ে নিতে হবে। আরো কিছুক্ষণ ভালো করে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। তারপর সিদ্ধ করে রাখা মটনের যে অবশিষ্টাংশ হিসাবে সামান্য জল ছিল সেই জল মিশিয়ে ঢাকা দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করতে হবে।

পুরো পদটা ভালো করে কষানো হয়ে গেলে গরম মসলা এবং ঘি দিয়ে নামিয়ে নিয়ে গরম গরম পরিবেশন করতে হবে মটন রেজালা। রুটি পরোটা কিংবা পোলাওর সাথে এই পদের একেবারে স্বর্গীয়।

Related Articles

Back to top button