বিনোদন

মা হলেন নুসরত কিন্তু সন্তানের বাবা কে? ভবিষ্যতে পিতৃ পরিচয়ে ভুগবেন তাঁর ছেলে!

মা হয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী তথা সংসদ নুসরত জাহান(Nusrat Jahan)। তার মাতৃত্বের খবরে উচ্ছ্বসিত হয়ে গিয়েছেন চিত্রকর ইলিনা বণিক(eleena banik) উচ্ছ্বসিত হওয়াটাও স্বাভাবিক, কারণ কোথাও-না-কোথাও দুজনের গল্পটা এক। ২০১২ তে IVF পদ্ধতিতে একাই মা হওয়ার(single mother) সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইলিনা বনিক। নুসরতের ক্ষেত্রেও সন্তানের পিতার নাম না জানানোর চারিত্রিক দৃঢ়তা লক্ষ্য করা গিয়েছে। তাই কোথাও না কোথাও দুজনে এক হয়ে গিয়েছেন।

একটি সংবাদমাধ্যমে নুসরতকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি ইলিনা বণিক বলেছেন, “যে নারী নিজের কৃতিত্বে সংসদ কক্ষের ভেতরে পা রাখতে পেরেছেন তিনি বাকি জীবন‌ও অনায়াসে সমস্ত বাধা অতিক্রম করতে পারবেন। শুধু তিনি নন তার সন্তানও।”

এই কঠিন কাজকে নুসরত একাই সম্পন্ন করতে পারবেন এটা বোঝাতে অতীতের কিছু ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, অতীতকাল থেকে বহু বিধবা তাদের সন্তানদেরকে কষ্ট করে মানুষ করে চলেছেন। তারা শিক্ষিত বা স্বাবলম্বী না হলেও তারা তাদের সন্তানকে মানুষ করেছেন, তারা যদি এই কাজ করতে পারেন তাহলে নুসরত ও পারবেন। কারণ নুসরত শিক্ষিতা, স্বাবলম্বী এবং তিনি একজন সংসদ। তার কথায়, “মেয়ে অমরাবতীর জন্মের আগে থেকেই আমাকে সমাজের বিরুদ্ধে লড়াই চালাতে হয়েছেন , মানুষের বিরুদ্ধে ,পারিপার্শ্বিক রীতিনীতি ,পরিবেশের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। ”

তিনি খুব ভালো করেই জানেন যে এখনো পরিস্থিতি বদলাইনি এখনো এক আমাকে কেউ বাড়ি ভাড়া দিতে চান না চট করে সন্তানকে স্কুলে ভর্তির সময় নানান রকম অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় একজন মাকে কিন্তু তার পাশাপাশি বিকল্প কিছু রাস্তাও থাকে। তিনি নুসরতের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী হয়ে বলেন, “নুসরতকেও এই লড়াই চালাতে হবে।”

নুসরতের সন্তানের বাবা কে এই নিয়ে নুসরতের অন্তঃসত্ত্বা হ‌ওয়ার সময় থেকেই প্রশ্ন উউঠেছিল বারবার,চিত্রশিল্পীর কথা অনুযায়ী ভবিষ্যতেও এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে নুসরতকে। চিত্রশিল্পী বলেন, “এই প্রশ্নের উত্তর একা নুসরত বা তার সন্তানকে দিতে হবে এমন নয়, এই প্রশ্ন নীনা-মাসাবা গুপ্তা, ইলিনা- অমরাবতী বণিককেও অহরহ দিতে হয়েছে এবং হচ্ছে। তবে একেবারে ছোট অবস্থায় শিশুরা এই ধরনের প্রশ্ন করবার অবস্থায় থাকে না বরং নতুন কিছু শেখার আনন্দেই ডুবে থাকে এখন অমরাবতীকে কেও জিজ্ঞেস করলে সে কিন্তু খুব সুন্দর ভাবে এড়িয়ে যেতে পারে। আবার আমার উত্তর থাকে কাজের জন্য ওর বাবা এই দেশেরই অন্য শহরে থাকেন।”

ইলিনা আরো বলেন যে, সব কথা শুনেও শুনতে নেই আর গায়ে মাখতে নেই একথা নুসরতকে মনে রাখতে হবে আর ভবিষ্যতে যদি নুসরত কাউকে বিয়ে করেন তাহলে অনেক সমস্যারই সমাধান হয়ে যাবে।

Related Articles

Back to top button