বিনোদন

সিদ্ধার্থ-তোর্সা মদ খেলে দোষ নেই, মিঠাই খেলেই দোষ! অবিচারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠল দর্শকরা

সিদ্ধার্থকে না পেয়ে একেবারে মিঠাই এবং সিদ্ধার্থের সংসারে ভাঙন ধরাতে উঠে লেগে পড়েছে তোর্সা। সিদ্ধার্থের বড় দাদা সোমের হাত ধরে মোদক বাড়িতে বড় বউ হিসেবে প্রবেশ করেছে টেস। বাড়িতে ঢুকেই একের পর এক ফন্দি এঁটেছে মিঠাই এবং সিদ্ধার্থের সম্পর্ক নষ্ট করতে অনেক চেষ্টা করেছে টেসবুড়ি, যদিও সবকিছু বিফলেই গেছে।

সিদ্ধার্থ-তোর্সা মদ খেলে দোষ নেই, মিঠাই খেলেই দোষ! অবিচারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠল দর্শকরা

বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে নিজেদের বিয়ের পার্টি থ্রো করতে চায় টেস। তারপরে পার্টির মধ্যে মিঠাইকে জোর করে মাদক দ্রব্য খাইয়ে মিঠাইয়ের মাথা গন্ডগোল করে দেয়। সবার সামনে মিঠাই তোর্সার পিছনে তাড়া করে সাঁড়াশি নিয়ে। এই ঘটনায় রীতিমতো বাড়ির সকলে রেগে গিয়েছে মিঠাই এর উপর। মিঠাই তোর্সার পরিকল্পনার শিকার হয়েছে তা বাড়ির সকলে বুঝলেও কিছুতেই বুঝতে নারাজ সিদ্ধার্থ।

সিদ্ধার্থ-তোর্সা মদ খেলে দোষ নেই, মিঠাই খেলেই দোষ! অবিচারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠল দর্শকরা

সকাল থেকে মিঠাইকে বারবার সিদ্ধার্থ বারণ করেছিল তোর্সা কিছু সে যেন না কনজিউম করে। তবে মিঠাই ধারাবাহিকে এই দৃশ্য এক প্রকার লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার এমনটাই মনে করছেন নেটিজেনরা। তাঁদের কথায়, এর আগেও সিদ্ধার্থকে ভালোভাবেই ড্রিঙ্ক করতে দেখা গিয়েছিল ধারাবাহিকে। এমনকি মনোহরার পার্টিতেও ড্রিংক করেছিল। তবে আজ মিঠাই মেয়ে হয়ে ড্রিংক করেছে বলে এত কিছু! এই কনসেপ্টটা মেনে নিতে পারেননি অনেকেই।

সিদ্ধার্থ-তোর্সা মদ খেলে দোষ নেই, মিঠাই খেলেই দোষ! অবিচারের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠল দর্শকরা

সিরিয়ালের দেখানো এই দৃশ্য নিয়ে এক ফ্যান পেজের তরফ থেকে লেখা হয়েছে এক লম্বা প্রতিবাদী পোস্ট। যেখানে বারবার বলা হয়েছে তোর্সা ও সিদ্ধার্থ ড্রিংক করাতে পারে। এতে তাদের পরিবারের কোন সমস্যা বা সম্মানহানি হয় না অন্যদিকে মিঠাই ড্রিংক করলেই দোষ! মিঠাইকে বকা দেওয়ার আগে সিদ্ধার্থ নিজের দিকটা কেন নজর রাখে। ফ্যান পেজের তরফ থেকে করা এই লম্বা পোস্টের সাথে অনেকেই একমত হয়েছেন। বেশিরভাগ নেটিজেনের বক্তব্য সিদ্ধার্থ সত্যি অতিরিক্ত রাগারাগি করছে মিঠাই এর ওপর।

 

View this post on Instagram

 

A post shared by MITHAIFC 10.9 K FAMILY (@sidhaifcx)

নেটিজেনদের আরও বক্তব্য এই পরিস্থিতিতে মিঠাইয়ের কথাও শোনা দরকার ছিল তাঁর। এই প্রসঙ্গে সিদ্ধার্থের বাবাকেও দেখা গিয়েছে মিঠাই-এর পাশে দাঁড়াতে। প্রত্যক্ষভাবে না দাঁড়ালে ও পরোক্ষভাবে সেই সিদ্ধার্থকে বুঝিয়ে দিয়েছে সে মিঠাই সাথে এরকম ব্যবহার না করে। এমন কাণ্ডের পর অবশ্য বাড়িতেই বসেছে সেই বিচারসভা। সেই বিচারসভায় রায় অনুযায়ী শাস্তি পেয়েছে এবং শাস্তি পেয়েছে মিঠাইও। ওদিকে নিজেদের বউরা যদি ঠিকঠাক শাস্তি মেনে না চলে সে ক্ষেত্রে শাস্তি পেতে হবে দুই বরকেও।

Related Articles

Back to top button