বিনোদন

সুপারহিট সিনেমার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন অপর্না সেন, সেই চরিত্র লুফে নিয়েই বাজিমাত শর্মিলা ঠাকুরের

১৯৬৯ সালে মুক্তি পায় বিখ্যাত ছবি ‘আরাধনা’। এই ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজেকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। ছবিতে শর্মিলা ঠাকুরের বিপরীতে ছিলেন রাজেশ খান্না। ১৯৪৬ সালের হলিউডি ছবি ‘টু ইচ হিস ওন’ এর অনুকরণে হিন্দিতে তৈরি হয় ‘আরাধনা’। হিন্দির পাশাপাশি বাংলা, তামিল এবং তেলুগুতেও রিলিজ হয় ছবিটি।

‘আরাধনা’য় অভিনয় করে বেস্ট অ্যাক্ট্রেসের ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড জিতে নেন শর্মিলা। হিন্দির পাশাপাশি বাংলাতেও তুমুল হিট হয়েছিল ছবিটি। কিন্তু জানেন কি, এই ছবিটি শর্মিলার আগে অন্য একজনকে অফার করা হয়েছিল? শর্মিলার আগে ছবিটির অফার যায় অপর্ণা সেনের কাছে। কিন্তু তিনি ছবির অফার ফিরিয়ে দেন। শোনা যায়, বাজেট নিয়ে কিছু সমস্যা হওয়ায় অপর্ণা ছবিটি ফিরিয়ে দেন। এরপর অফার যায় শর্মিলার কাছে। শর্মিলা তখন বলিউডের প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী। কিন্তু তবুও বাজেটের কথা চিন্তা না করে তিনি ছবিটি করতে রাজি হয়ে যান।

হিন্দির পাশাপাশি বাংলা ‘আরাধনা’তেও অভিনয় করেন শর্মিলা। যদিও অপর্ণা সেন বাজেট সমস্যার কারণেই ছবিটি ছেড়েছিলেন কিনা সেকথা জানা যায়না, কারণ তিনি তখন মাত্র দুটি ছবিতেই অভিনয় করেছিলেন। হিন্দি, বাংলা ছাড়াও ‘আরাধনা’ তামিল ভাষায় শিবগামিইন সেলভান (১৯৭৪) ও তেলুগু ভাষায় কন্যাবাড়ি কালালু (১৯৭৪) নামে তৈরি করা হয়।

‘আরাধনা’য় অভিনয় না করলেও ঠিক এর পরের বছরই অপর্ণা-শর্মিলা একসাথে অভিনয় করেন সত্যজিৎ রায়ের ছবি ‘অরণ্যের দিনরাত্রি’তে। ১৯৭০ সালে মুক্তি পাওয়া ছবিতে একসাথে পর্দায় হাজির হন দুই বাঙালি অভিনেত্রী। এরপর দুজনকে একসাথে আর দেখা যায়নি দীর্ঘদিন। শর্মিলা বলিউডে দাপিয়ে বেড়াতে লাগলেন, অন্যদিকে অপর্ণা বাংলা ছবিতে। ২০০৯ সালে পরিচালক অনিরুদ্ধ রায় চোধুরীর ‘অন্তহীন’ ছবিতে দুজনকে আবার একসাথে দেখা গিয়েছিল।

Related Articles

Back to top button